For Advertisement

নিখোঁজ লামিয়ার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ৫:২৯:৫১

নিজেস্ব প্রতিনিধি রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

ধর্ষণের পর খুন করে নদীতে ফেলে দেয়ার সাতদিন পর সাগরে ভাসমান অবস্থায় শিশু লামিয়ার (১২) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রূপারচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে মরদেহটি তীরে আনা হয়।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, রূপারচর সংলগ্ন শিবচর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের গভীর সাগর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া ও সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

মরদেহ উদ্ধার অভিযানে থাকা চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজল কান্তি দাস বলেন, মরদেহ উদ্ধারকালে শিশুর গায়ে থাকা জামা এবং তাকে যে চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে ফেলা হয়েছিল, সেটিও পাওয়া যায়। তবে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পচে গলে বিকৃত হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরের সাগরপাড় বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় শিশু লামিয়া। পরদিন ৭ জানুয়ারি দুপুরে চরআন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে তার পায়ের একটি জুতা ও বাজার থেকে কেনা পণ্য এবং খাল সংলগ্ন বিলের মাঝে পাওয়া যায় তার ওড়না। নিখোঁজের এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওইদিন রাতে আল-আমিন নামের এক অটোচালককে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয় লোকজন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করার পর বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করে ওই অটোচালক।

এ ঘটনায় ৮ জানুয়ারি রাতে রাঙ্গাবালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবা বাদি হয়ে অটোচালক আল-আমিনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলায় ৯ জানুয়ারি আসামিকে আদালতে হাজির করলে স্বীকারোক্তিমূলক ঘটনার বিস্তারিত জবানবন্দি দেন তিনি।

For Advertisement

দৈনিক আলোর প্রতিদিন’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: